বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ঘাসের উইকেটে টস জিতে গুজরাট জায়ান্টসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক মেগ ল্যানিং। শিখা পাণ্ডে, মারিজানে কাপ, অ্যানাবেল সাদারল্যান্ডদের জোরে বোলিংয়ের সামনে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে গুজরাট ব্যাটিং লাইন। শুরু থেকেও একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে গুজরাট। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে হারলিন দেওলকে (১০ বলে ৫) তুলে নিয়ে গুজরাটকে প্রথম ধাক্কা দেন মারিজানে কাপ। ওভারের চতুর্থ বলে ফেরান ফোয়েবে লিচফিল্ডকে (০)। পরের ওভারে পরপর ২ বলে বেথ মুনি (১১ বলে ১০) ও কাশভি গৌতমকে (০) তুলে নিয়ে গুজরাটকে চাপে ফেলে দেন শিখা পাণ্ডে। ৫ ওভারের মধ্যেই ২০ রানে ৪ উইকেট হারায় গুজরাট।
নবম ওভারের প্রথম বলে আবার ধাক্কা গুজরাটের। অধিনায়ক অ্যাশলে গার্ডনারের (০) স্টাম্প ছিটকে দেন তিতাস সাধু। দিয়ান্ডা ডটিন (২৪ বলে ২৬) সাময়িক প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। সাদারল্যাডের সুইংয়ে পরাস্ত হয়ে ডাগ আউটে ফেরেন ডটিন। তনুজা কানোয়ার (২৪ বলে ১৬) ও ভারতী ফুলমনির সৌজন্যে ১০০ রানের গণ্ডি পার করে গুজরাট। শেষপর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে তোলে ১২৭। মারিজানে কাপ ১৭ রানে, শিখা পাণ্ডে ১৮ রানে ও অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড ২০ রানে ২টি করে উইকেট নেন।
জয়ের জন্য ১২৮ রানের লক্ষ্য দিল্লির কাছে একেবারেই কঠিন ছিল না। তবু সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন মেগ ল্যানিং। দিল্লি অধিনায়ক অবশ্য বড় রান করতে পারেননি। ১৩ বলে মাত্র ৩ রান করে কাশভি গৌতমের বলে আউট হন। ৩.৩ ওভারের মাথায় ১৪ রানে প্রছম উইকেট হারায় দিল্লি। ল্যানিং ফিরে যাওয়ার পর ঝড় তোলেন শেফালি ভার্মা ও জেস জোনাসেন। এই জুটিই দিল্লির জয়ের পথ পরিস্কার করে দেন। দলীয় ৮৮ রানের মাথায় আউট হন শেফালি। ২৭ বলে তিনি করেন ৪৪। জেমিমা রডরিগেজ (৯ বলে ৫) ও অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড (১) ব্যর্থ হলেও দিল্লির জয় পেতে সমস্যা হয়নি। ১৫.১ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দিল্লি (১৩১/৪)। ৩২ বলে অপরাজিত ৬১ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে দিল্লিকে জয় এনে দেন জেস জোনাসেন।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.