বড় রান পেলেন না বৈভব সূর্যবংশী, সিরিজের শেষ ম্যাচে ৭ উইকেটে হার ভারতের
স্বপ্ন ছিল সিরিজের শেষ ম্যাচে পুরো ৫০ ওভার ব্যাট করার। নিজের রেকর্ড আরও উন্নত করার। স্বপ্নপূরণ হল না বৈভবের। মাত্র ৩৩ রানে আউট। বৈভবের ব্যর্থতায় হার ভারতের। সিরিজের শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডের জয় ৭ উইকেটে। যদিও আগেই সিরিজ জিতে নিয়েছিল ভারত।
সিরিজের শেষ ম্যাচে বড় রান পেলেন না বৈভব।
স্পোর্টস টাইম ওয়েব ডেস্ক
শেষ আপডেট: জুলাই ০৮, ২০২৫
Share on:
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চলতি একদিনের অনূর্ধ্ব ১৯ সিরিজে প্রথম চারটি ম্যাচেই বিধ্বংসী ফর্মে ছিল বৈভব সূর্যবংশী। আগের ম্যাচেই দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডও গড়েছিলেন। স্বপ্ন ছিল সিরিজের শেষ ম্যাচে পুরো ৫০ ওভার ব্যাট করার। নিজের রেকর্ড আরও উন্নত করার। স্বপ্নপূরণ হল না বৈভবের। মাত্র ৩৩ রানে আউট। বৈভবের ব্যর্থতায় হার ভারতের। সিরিজের শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডের জয় ৭ উইকেটে। যদিও আগেই সিরিজ জিতে নিয়েছিল ভারত। সিরিজের ব্যবধান হল ৩–২।
সিরিজের শেষ ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারতীয় অধিনায়ক আয়ুশ মাত্রে। ব্যাট হাতে শেষ ম্যাচেও ব্যর্থ ভারত অধিনায়ক। মাত্র ১ রানে আউট হন। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা বিহান মালহোত্রাও (১) রান পাননি। ৯ রানে ২ উইকেট হারায় ভারত। চাপের মুখে এদিন আর বিধ্বংসী হয়ে উঠতে পারেনি বৈভব। ৪২ বলে ৩৩ রান করে আউট হন। আগের চার ম্যাচে বৈভব করেছিল যথাক্রমে ৪৮, ৪৫, ৮৬ এবং ১৪৩। বৈভব বড় রান না পাওয়ায়, ভারতও বড় রান তুলতে ব্যর্থ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২১০/৯ তোলে ভারত। আরএস অম্বরীশ ৬৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।
জয়ের জন্য ২১১ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ডের শুরুটাও ভাল হয়নি। চতুর্থ ওভারে জোসেফ মুরেসকে (৫) তুলে নিয়ে ভারতকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন দীপেশ দেবেন্দ্রন। কিন্তু ভারতের জয়ের আশায় জল ঢেলে দেয় বেন ডাউকিন্স ও বেন মায়েস। দুজনের জুটিতে ওঠে ১০৭। ৬৬ রান করে আউট হন ডাউকিন্স। রকি ফ্লিনটফ (৪) দ্রুত ফিরলেও ইংল্যান্ডকে জয় এনে দেন বেন মায়েস (অপরাজিত ৮২) ও টমাস রেউ (অপরাজিত ৪৯)। ৩১.১ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড (২১১/৩)। ভারতের হয়ে ৬৫ রানে ২ উইকেট নেন নমন পুষ্পক।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.