মহিলাদের টি২০ বিশ্বকাপে গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে যথেষ্ট চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হারলেই সেমিফাইনালে ওঠার রাস্তা কঠিন হয়ে যেত। দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন হরমনপ্রীত কাউরদের। পাকিস্তানকে ৬ উইকেটে হারিয়ে লড়াইয়ে টিকে রইল ভারত।
টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাকিস্তান। ভারতীয় বোলারদের সামনে পাকিস্তান ব্যাটাররা একেবারেই মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেননি। বিশেষ করে অরুন্ধতী রেড্ডি দুরন্ত বোলিং করেন। যদিও প্রথম সাফল্য আসে রেণুকা সিংয়ের হাত ধরে। প্রথম ওভারের শেষ বলে গুল ফিরোজার (০) স্টাম্প ছিটকে দেন রেণুকা। সিদ্রা আমিনকে (৮) দীপ্তি শর্মা তুলে নিতেই ধস নামে পাকিস্তান ইনিংসে। একসময়। ৫২ রানে ৫ উইকেট হারায়। সেখান থেকে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১০৫ রান তোলে পাকিস্তান। সর্বোচ্চ রান করেন নিদা দার (৩৪ বলে ২৮)। মুনিবা আলি করেন ১৭। সায়েদা আরুব ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন। ১৯ রানে ৩ উইকেট নেন অরুন্ধতী রেড্ডি। ১২ রানে ২ উইকেট শ্রেয়াঙ্কা পাটিলের।
জয়ের লক্ষ্যমাত্রা খুব বেশি না হওয়ায় ধীরগতিতে শুরু করে ভারত। পঞ্চম ওভারে স্মৃতি মান্ধানার (৭) উইকেট হারায়। তাঁকে ফেরান সাইদা ইকবাল। এরপর শেফালি ভার্মা ও জেমাইমা রডরিগেজ দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। ৩৯ রানের জুটি গড়ে তোলেন। ৩৫ বলে ৩২ রান করে আউট হন শেফালি। তাঁকে তুলে নেন ওমাইমা সোহেল। ২৩ রান করে ফমিতা সানার বলে আউট হন জেমাইমা। পরের বলেই রিচা ঘোষকে (০) তুলে নেন সানা। ২৯ রান করে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন হরমনপ্রীত কাউর। পরপর উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। শেষ পর্যন্ত ১৮.৫ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১০৮ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। দীপ্তি শর্মা ৭ এবং সাজীবন সজনা ৬ রান করে অপরাজিত খাকেন।
নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। পাকিস্তানকে হারিয়ে কিছুটা চাপমুক্ত। তবে সেমিফাইনালে যাওয়ার রাস্তা ভারতের সামনে কিন্তু মসৃন নয়। পাকিস্তান দলকে কম রানে আটকে রাখলেও ভারতীয় দল দ্রুত রান তুলতে পারেনি। ফলে নেট রানরেটে খুব একটা ভাল করতে পারেনি। পরে নেট রানরেট ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াতে পারে। বুধবার ভারতের সামনে শ্রীলঙ্কা। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অধিনায়ক হরমনপ্রীত কাউরের চোট চিন্তা বাড়িয়েছে ভারতের সামনে।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.