লর্ডসে দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়লেন লিয়াম লিভিংস্টোন। ভেঙে দিলেন মিচেল মার্শের রেকর্ড। লর্ডসে শুধুমাত্র দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ডই গড়লেন না লিভিংস্টোন, মিচেল স্টার্কের এক ওভারে তোলেন ২৮ রান। একদিনের ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার কোনও বোলারের এক ওভারে এটাই সব থেকে বেশি রান দেওয়ার নজির। অস্ট্রেলিয়াকে চতুর্থ ম্যাচে ১৮৬ রানে উড়িয়ে একদিনের সিরিজে সমতা ফেরাল ইংল্যান্ড। সিরিজের ফলাফল আপাতত ২–২।
লর্ডসে এর আগে দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড ছিল মিচেল মার্শের। ২০১৫ সালে এই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেই ২৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার মার্শ। সেই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধেই মার্শের রেকর্ড ভেঙে দিলেন লিভিংস্টোন। ২৫ বলে তিনি পৌঁছে যান হাফ সেঞ্চুরিতে। ইনিংসের শেষ ওভারে মিচেল স্টার্কের বলে ২৮ রান তোলেন। মারেন ৪টি ৬ ও ১টি বাউন্ডারি।
বৃষ্টির জন্য ম্যাচের ওভার সংখ্যা কমিয়ে ৩৯ করা হয়। টস জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। ৫ উইকেটে ৩১২ তোলে ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডের বড় রানে ভিত গড়ে দেন অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক ও বেন ডাকেট। ৫৮ বলে ৮৭ রানের ইনিংস খেলেন ব্রুক। তাঁর ৫০ আসে ৩৭ বলে। ওপেনার ডাকেট ৬২ বলে করেন ৬৩। তৃতীয় উইকেটের জুটিতে ব্রুক ও ডাকেট তোলে ৫৩ বলে ৭৯। চতুর্থ উইকেটে জেমি স্মিথের সঙ্গে ৪৭ বলে ৭৫ রানের জুটি গড়েন। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন লিভিংস্টোন। ২৭ বলে ৬২ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। শেষ ১৫ ওভারে ১৫৬ রান তোলে ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৬৬ রানে ২ উইকেট লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা।
জবাব দেওয়ার কাজ ভাল শুরু করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার ট্রাভিস হেড ও মিচেল মার্শ। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৬৮। ২৩ বলে ৩৪ রান করে নবম ওভারে কার্সের বলে আউট হন হেড। পরের ওভারে স্টিভ স্মিথকে (৫) ফেরান পটস। এরপর দ্রুত ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় অস্ট্রেলিয়া। পরপর আউট হন মিচেল মার্শ (২৮) জশ ইংলিস (৮), মার্নাস লাবুশেন (৪), গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (২)। শেষ পর্যন্ত ২৪.৪ ওভারে ১২৬ রানে গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ৩৮ রানে ৪ উইকেট নেন ম্যাথু পটস। ৩৬স রানে ৩ উইকেট ব্রাইডন কার্সের।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.