বাবা–ছেলে একসঙ্গে ক্লাব ক্রিকেটে, ব্যর্থ রাহুল দ্রাবিড়, ছেলে অন্বয় সফল
ছেলের সঙ্গে মাঠে নেমে পড়লেন বাবা। ছেলে রান পেলেও বাবা ব্যর্থ। বাবা আবার কিংবদন্তি ক্রিকেটার। বিশ্বকাপজয়ী দলের কোচও। হ্যাঁ, এমন ঘটনাই ঘটেছে বেঙ্গালুরুর তৃতীয় ডিভিশন ক্রিকেটের এক প্রতিযোগিতায়। বাবা কে জানেন? ভারতীয় ক্রিকেটের ‘মিঃ ডিপেন্ডেবল’ রাহুল দ্রাবিড়।
ছেলে অন্বয়ের সঙ্গে ক্লাব ক্রিকেটে মাঠে নেমে পড়লেন রাহুল দ্রাবিড়।
স্পোর্টস টাইম ওয়েব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৫
Share on:
ছেলের সঙ্গে মাঠে নেমে পড়লেন বাবা। ছেলে রান পেলেও বাবা ব্যর্থ। বাবা আবার কিংবদন্তি ক্রিকেটার। বিশ্বকাপজয়ী দলের কোচও। হ্যাঁ, এমন ঘটনাই ঘটেছে বেঙ্গালুরুর তৃতীয় ডিভিশন ক্রিকেটের এক প্রতিযোগিতায়। বাবা কে জানেন? ভারতীয় ক্রিকেটের ‘মিঃ ডিপেন্ডেবল’ রাহুল দ্রাবিড়।
২০১১ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন দ্রাবিড়। আর সব ধরণের ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছিলেন ২০১৩ সালে। ক্রিকেট ছাড়ার পর কোচিংয়ে চলে আসেন। প্রথমে আইপিএলে। পরে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাদেমির দায়িত্ব নেন। তারপর ভারতীয় দলের হেড কোচ হন। দ্রাবিড়ের কোচিংয়েই ২০২৪ সালে টি২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। বিশ্বকাপ জেতার পরই কোচিং থেকে সন্ন্যাস নিয়েছেন। তবে ক্রিকেট থেকে সরে যাননি। ক্রিকেটার দ্রাবিড়কেই আবার মাঠে দেখা গেছে। নেমে পড়েছেন ছেলের সঙ্গে।
বেঙ্গালুরুতে শ্রী নাসুর মেমোরিয়াল শিল্ড তৃতীয় বিভাগে অংশ নিয়েছিল বিজয়া ক্রিকেট ক্লাব। এই ক্লাবের হয়ে মাঠে নামেন রাহুল দ্রাবিড় ও তাঁর ছেলে অন্বয় দ্রাবিড়। দীর্ঘদিন পর ব্যাট হাতে মাঠে নেমে অবশ্য ব্যর্থ হয়েছেন রাহুল দ্রাবিড়। ৮ বলে মাত্র ১০ রান করে আউট হন। ছেলে অন্বয় অবশ্য বাবাকে টেক্কা দিয়ে গেছেন। ৬০ বলে ৫৮ রানের ইনিংস খেলেন। তবে বাবা–ছেলের ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছেন স্বপ্নিল ইয়েলভে। তাঁর ৫০ বলে ১০৭ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে ইয়ং লায়ন্সের বিরুদ্ধে বিজয়া ক্রিকেট ক্লাব তোলে ৭ উইকেটে ৩৪৫ রান। দ্রাবিড়ের ছোট ছেলে অন্বয় উইকেটকিপার–ব্যাটার। ২০২৩-২৪ সালে অনূর্ধ্ব ১৬ বিজয় মার্চেন্ট ট্রফিতে সর্বোচ্চ রান করেছিল। দ্রাবিড়ের বড় ছেলে সমিত গতবছর ভারতের অনূর্ধ্ব ১৯ দলে ডাক পেয়েছিলেন।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.