বিশ্বকাপ দল নির্বাচনের আগে সুযোগ পেয়েই জ্বলে উঠলেন সঞ্জু, হার্দিক–তিলক ঝড়ে টি২০ সিরিজ জয় ভারতের
২০২৬ টি২০ বিশ্বকাপের দল নির্বাচনের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচ। ক্রিকেটারদের কাছে নিজেদের মেলে ধরার এই ম্যাচই ছিল শেষ সুযোগ। টিম ম্যানেজমেন্টও চেয়েছিল কয়েকজনকে দেখে নিতে। নজর ছিল নতুন কম্বিনেশনের দিকেও। শুভমান গিলের জায়গায় সুযোগ দেওয়া হয়েছিল সঞ্জু স্যামসনকে। সুযোগটা কাজে লাগালেন সঞ্জু। বিশ্বকাপ দলে দাবি জোরালো করলেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার।
ব্যাটে ঝড়। ২৫ বলে ৬৫। বল হাতে ১ উইকেট। ম্যাচের সেরা হার্দিক পাণ্ডিয়া।
ইনসাইড বাংলা ওয়েব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০২৫
Share on:
২০২৬ টি২০ বিশ্বকাপের দল নির্বাচনের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচ। ক্রিকেটারদের কাছে নিজেদের মেলে ধরার এই ম্যাচই ছিল শেষ সুযোগ। টিম ম্যানেজমেন্টও চেয়েছিল কয়েকজনকে দেখে নিতে। নজর ছিল নতুন কম্বিনেশনের দিকেও। শুভমান গিলের জায়গায় সুযোগ দেওয়া হয়েছিল সঞ্জু স্যামসনকে। সুযোগটা কাজে লাগালেন সঞ্জু। বিশ্বকাপ দলে দাবি জোরালো করলেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। শেষ টি২০ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৩০ রানে হারিয়ে ৩–১ ব্যবধানে সিরিজ জিতল ভারত। যদিও সিরিজ জয়ে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের কোনও অবাদন নেই। ব্যাটে ঝড় তুললেন তিলক ভার্মা ও হার্দিক পাণ্ডিয়া।
শেষ ম্যাচে শুভমান গিলকে বাইরে রেখেই প্রথম একাদশ সাজিয়েছিল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। দলের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে বলা হয়েছিল পায়ের পাতায় চোটের জন্য শুভমান প্রথম একাদশের বাইরে। আসলে গল্প অন্য জায়গায়। একেই খারাপ ফর্মে শুভমান, তার ওপর শনিবার টি২০ বিশ্বকাপের জন্য দল নির্বাচন। সঞ্জুকে একবার দেখে নিতে চেয়েছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। হতাশ করেননি। অভিষেক শর্মার সঙ্গে ওপেন করতে নেমে ৪টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ২২ বলে ৩৭ রান করে আউট হন।
যদিও শুরুতে ঝড়টা তুলেছিলেন অভিষেক শর্মা। ২১ বলে ৩৪ রান করে করবিন বশের বলে তিনি আউট হন। অভিষেক যখন আউট হন, বারত ৫.৪ ওভারে পৌঁছে গিয়েছিল ৬৩ রানে। সঞ্জু আউট হন দশম ওভারের প্রথম বলে। ২ ওভার পরেই ডাগ আউটে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব (৭ বলে ৫)। টানা ৯ ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরির মুখ দেখেননি ভারত অধিনায়ক। মাস দেড়েক পর বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপের আগে অধিনায়কের ফর্ম নিশ্চিতভাবেই টিম ম্যানেজমেন্টের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলবে।
অধিনায়কের ব্যর্থতা অবশ্য পুশিয়ে দিলেন হার্দিক পাণ্ডিয়া ও তিলক ভার্মা। ক্রিজে এসেই ঝড় তোলেন হার্দিক। ১৬ বলে হাফ সেঞ্চুরিতে পৌঁছে যান। ভারতের দ্বিতীয় দ্রুততম ব্যাটার হিসেবে টি২০ ক্রিকেটে হাফ সেঞ্চুরি করলেন হার্দিক পাণ্ডিয়া। ভারতীয়দের মধ্যে রেকর্ড যুবরাজ সিংয়ের। ২০০৭ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১২ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন যুবরাজ। ইনিংসের শেষ ওভারের তৃতীয় বলে আউট হন হার্দিক। ২৫ বলে করেন ৬৫। অন্যদিকে ১০টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৪২ বলে ৭৩ রান করেন তিলক ভার্মা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৩১ রান করে ভারত।
দক্ষিণ আফ্রিকাও জবাব দেওয়ার কাজটা ভালভাবে শুরু করেছিল। ৬.২ ওভারেই ৬৯ রানে পৌঁছে যায়। আক্রমণে এসেই বরুণ চক্রবর্তী তুলে নেন রেজা হেনড্রিকসকে (১২ বলে ১৩)। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন ডিওয়াল্ড ব্রেভিস। কুইন্টন ডিককও অন্য প্রান্তে তাণ্ডব চালাচ্ছিলেন। ডিকক (৩৫ বলে ৬৫) ফিরতেই ধস দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে। বাকিরা সেভাবে রান পাননি। পরপর ২ বলে এইডেন মার্করাম (৬) ও ডোনাভান ফেরেইরাকে (০) তুলে নিয়ে ধস নামান বরুণ। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ২০১/৮ তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৫৩ রানে ৪ উইকেট পান বরুণ ম্যাচের সেরা হন হার্দিক পাণ্ডিয়া।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.