নাটকীয় ম্যাচে শেষ মুহুর্তে গোল করে চেন্নাইনের বিরুদ্ধে হার বাঁচাল মহমেডান।
স্পোর্টস টাইম ওয়েব ডেস্ক
শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৫
Share on:
এভাবেও ফিরে আসা যায়! ম্যাচের ইনজুরি সময়ের ৪ মিনিট অতিক্রান্ত। তখনও ২–০ ব্যবধানে পিছিয়ে মহমেডান। মাকান ছোটের পাস থেকে ব্যবধান কমালেন মনবীর সিং। ইনজুরি সময়ের শেষ মিনিটে পেনাল্টি। পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরালেন লালরেমসাঙ্গা ফানাই। রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে শেষ মুহূর্তের গোলে সমতা ফিরিয়ে নাটকীয় প্রত্যাবর্তন। ২ গোলে পিছিয়ে পড়েও নাটকীয় ম্যাচে চেন্নাইন এফসি–কে আটকে দিল মহমেডান। ম্যাচের ফল ২–২।
বেশ কিছুদিন ধরেই বেতন নিয়ে ডামাডোল মহমেডানে। গত ২ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না ফুটবলাররা। বকেয়া বেতনের দাবিতে চেন্নাইন এফসি–র বিরুদ্ধে ম্যাচের আগের দিন বিদ্রোহ করেছিলেন। অনুশীলনে নামেননি ফুটবলাররা। কর্তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ম্যাচের আগেই বকেয়া বেতন মিটিয়ে দেওয়া হবে। যদিও ম্যাচের আগে পর্যন্ত বেতন পাননি ফুটবলাররা। চেন্নাইনের বিরুদ্ধে ফুটবলাররা কি আদৌও মাঠে নামবেন? আশঙ্কা একটা ছিলই। শেষ পর্যন্ত মাঠেই জবাব দিলেন রেমসাঙ্গারা।
ম্যাচের শুরু থেকেই অবশ্য প্রাধান্য ছিল চেন্নাইন এফসি–র। মহমেডান ফুটবলারদের একেবারে দায়সারা ফুটবল। মনে হচ্ছিল যেন বকেয়া বেতনের প্রভাব পড়েছে মাঠে। ১০ মিনিটেই কোনর শিল্ডের কর্নার থেকে হেডে গোল করে চেন্নাইন এফসি–কে এগিয়ে দেন লালদিনপুইয়া। মিনিট দশেক পর খেলার গতির বিরুদ্ধে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিলেন ফ্রাঙ্কা। তবে মহমেডানের কাছে বড় ধাক্কা ২৭ মিনিটে কাশিমভের পেনাল্টি নষ্ট। বক্সের মধ্যে রেমসাঙ্গাকে ফাউল করেছিলেন চেন্নাইন গোলকিপার মহম্মদ নওয়াজ। কাশিমভের শট ডানদিকে ঝাঁপিয়ে বাঁচান তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবার গোল। মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে বক্সে ঢুকে একক প্রয়াসে গোল করেন লুকাস ব্রামবিয়া। বক্সের মধ্যে তখন মহমেডানের ৪ ডিফেন্ডার। কেউই বাধা দিতে এগিয়ে আসেননি। সেই সময় মহমেডান ফুটবলারদের দেখে মনে হচ্ছিল যেন সাবোতাজ করছেন। ইনজুরি সময়ে অবশ্য ভুল ভেঙে দেন রেমসাঙ্গারা। ৯৫ মিনিটে মাকান ছোটের পাস থেকে বিকাশ সিংয়ের পরিবর্তে মাঠে নামা মনবীর ব্যবধান কমান। আর ইনজুরি সময়ের শেষ মিনিটে বক্সের মধ্যে মনবীরকে ফাউল করেন লালদিনপুইয়া। রেফারি পেনাল্টি দেন। পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান রেমসাঙ্গা।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.