জর্জ টেলিগ্রাফের বিরুদ্ধে ৩–১ ব্যবধানে জিতে ডার্বির ড্রেস রিহার্সাল ভালভাবে সেরে নিল ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোল তিনটি করেন জেসিন টিকে, সায়ন ব্যানার্জি ও নাসিব রহমান। এই জয় ডার্বির আগে আত্মবিশ্বাস জোগাবে ইস্টবেঙ্গলকে।
ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ
আরিয়ান চৌধুরি
শেষ আপডেট: জুলাই ০৭, ২০২৪
Share on:
লিগ অভিযানের শুরুতেই টালিগঞ্জ অগ্রগামীকে উড়িয়ে দিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। প্রথম ম্যাচে সহজ জয় পেলেও দ্বিতীয় ম্যাচে জর্জ টেলিগ্রাফের বিরুদ্ধে জয় পেতে অবশ্য বেগ পেতে হল লাল–হলুদকে। প্রথমে পিছিয়ে পড়েও ৩–১ ব্যবধানে জিতে ডার্বির ড্রেস রিহার্সাল ভালভাবে সেরে নিল ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোল তিনটি করেন জেসিন টিকে, সায়ন ব্যানার্জি ও নাসিব রহমান। জর্জের গোলটি অমিত এক্কার। এই জয় ডার্বির আগে আত্মবিশ্বাস জোগাবে ইস্টবেঙ্গলকে।
ডার্বির আগে ইস্টবেঙ্গলের কাছে এটাই ছিল শেষ ম্যাচ। সেকথা কথা মাথায় রেখে এদিন দল সাজিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল কোচ বিনো জর্জ। রক্ষণে মনোতোষ চাকলাদারের পরিবর্তে শুরু থেকেই মাঠে নামান চেন্নাইন এফসি থেকে এই মরশুমে যোগ দেওয়া সার্থক গোলুইকে। এছাড়াও আরও কয়েকটা পরিবর্তন করেছিলেন। কিন্তু প্রথমার্ধে একেবারেই ছন্দে দেখা যায়নি ইস্টবেঙ্গলকে। মাঝমাঠ চূড়ান্ত ব্যর্থ। বরং দাপট দেখিয়ে যায় জর্জ টেলিগ্রাফ।
ইস্টবেঙ্গলের সামনে গোল করার মতো প্রথম সুযোগ এসেছিল ম্যাচের ২৬ মিনিটে। আমন সিকে–র শট জর্জ টেলিগ্রাফের গোলকিপার কেশব ধাড়ার হাত থেকে বেরিয়ে আসে। ফিরতি বলে আবার শট নিয়েছিলেন আমন সিকে। বল পোস্টে লাগে। ৩৪ মিনিটে এগিয়ে যায় জর্জ টেলিগ্রাফ। অমিত এক্কার নেওয়া শট রাকেশের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়িয়ে যায়। পিছিয়ে পড়ার পর মরিয়া হয়ে ওঠে ইস্টবেঙ্গল। সুযোগও তৈরি হয়। নাসিব রহমানের কর্নারে সুবিধাজনক জায়গায় পেয়েও বল গোলে রাখতে পারেননি। রোশলের একটা শট জর্জ ডিফেন্ডার আকাশের পায়ে লেগে গোলে ঢোকার মুখে ঝাঁপিয়ে বাঁচান গোলকিপার কেশব। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে জেসিন টিকের বাঁপায়ের দুরন্ত শট সাইডনেটে আছড়ে পড়ে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই তিন–তিনটি পরিবর্তন করেন ইস্টবেঙ্গল কোচ বিনো জর্জ। এতেই বদলে যায় লাল–হলুদ। আমন সিকে–র জায়াগায় মাঠে নিয়ে আসেন সায়ন ব্যানার্জিকে। রোশল ডিপি–র জায়গায় নামান বিজয় মুর্মুকে। আর বুনন্দ সিংয়ের জায়াগায় সঞ্জীব ঘোষ। ৪৭ মিনিটে সমতা ফেরান জেসিন টিকে। শ্যামলের বেসরার শট পোস্টে লেগে ফিরে আসার পর দারুণ ফলো করেন জেসিন। একেবারে লাইনের ধারে বল ধরে শট নেন। জেসনের শট ছুটে এসে গোললাইন থেকে ফেরানোর চেষ্টা করেন আকাশ। কিন্তু ব্যর্থ হন। তাঁর পায়ে লেগে জালে জড়িয়ে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধে উইং দিয়ে বারবার আক্রমম তুলে নিয়ে আসছিল ইস্টবেঙ্গল। ৬৬ মিনিটে উইং দিয়ে তুলে নিয়ে আসা এক দুরন্ত আক্রমণ থেকে এগিয়ে যায় লাল–হলুদ। ডানদিক থেকে আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে দারুণ নীচু সেন্টার করেছিলেন সঞ্জীব ঘোষ। বাঁপায়ের শটে ২–১ করেন সায়ন ব্যানার্জি। ৮১ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল জর্জ টেলিগ্রাফের সামনে। সুনীলে ভুলে বল পেয়ে গিয়েছিলেন অমিত এক্কা। সুবিধাজনক জায়গা থেকে বল বাইরে মারেন অমিত। শেষদিকে চাপ তৈরি করলেও সমতা ফেরাতে পারেনি জর্জ। ম্যাচের একেবারে অন্তিম লগ্নে সায়নের মাইনাস থেকে ডানপায়ের পুশে ৩–১ করেন নাসিব রহমান।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.