ট্রেন্ডিং

Super Cup 2025

লাল কার্ড দেখলেন অস্কার ব্রুজো, পাঞ্জাব এফসি-কে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে সুপার কাপের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

ডুরান্ড কাপ কোয়ার্টার ফাইনালের ডার্বিতে মোহনবাগান সুপার জাযান্টকে হারিয়ে লাল-হলুদ সমর্থকদের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন কোচ অস্কার ব্রুজো। সেমিফাইনালে স্বপ্নভঙ্গ। ডায়মন্ড হারবার এফসি-র কাছে হেরে খেতাব জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গিয়েছিল। এবার সুপার কাপে ব্যর্থতা কাটানোর সুবর্ণ সুযোগ অস্কার ব্রুজোর সামনে। পাঞ্জাব এফসি-কে ৩-১ব্যবধানে হারিয়ে সুপার কাপের ফাইনালে উঠল ইস্টবেঙ্গল।

সেলফিতে মজে ইস্টবেঙ্গলের তিন গোলদাতা।

ইনসাইড বাংলা ওয়েব ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ০৫, ২০২৫
Share on:

ডুরান্ড কাপ কোয়ার্টার ফাইনালের ডার্বিতে মোহনবাগান সুপার জাযান্টকে হারিয়ে লাল-হলুদ সমর্থকদের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন কোচ অস্কার ব্রুজো। সেমিফাইনালে স্বপ্নভঙ্গ। ডায়মন্ড হারবার এফসি-র কাছে হেরে খেতাব জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গিয়েছিল। এবার সুপার কাপে ব্যর্থতা কাটানোর সুবর্ণ সুযোগ অস্কার ব্রুজোর সামনে। পাঞ্জাব এফসি-কে ৩-১ব্যবধানে হারিয়ে সুপার কাপের ফাইনালে উঠল ইস্টবেঙ্গল। যদিও ফাইনালে রিজার্ভ বেঞ্চে বসতে পারবেন না লাল-হলুদ কোচ। এদিন লালকার্ড দেখে তাঁকে মাঠের বাইরে যেতে হয়।

রক্ষণ জমাট করেই এদিন পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে দল সাজিয়ে ছিলেন অস্কার ব্রুজো। লক্ষ্য ছিল পরিস্থিতি বুঝে আক্রমণ শানিয়ে গোল তুলে নেওয়া। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতে মাঝমাঠে লোক বাড়িয়ে রেখেছিলেন অস্কার। আক্রমণভাগে এক হিরোশিকে রেখেছিলেন। প্রথমার্ধে বিশেষ দাগ কাটতে পারেননি জাপানের এই স্ট্রাইকার। ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণাত্মক ফুটবলের সুযোগ নিয়ে ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিটে আধিপত্য দেখিয়ে বেশ কয়েকবার গোল করার জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিল পাঞ্জাব এফসি। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। 

এরপর ম্যাচটা ধীরে ধীরে নিজেদের দখলে নিয়ে নেয় ইস্টবেঙ্গল। ১২ মিনিটে খেলার গতির বিরুদ্ধে এগিয়ে যায়। বিপিন রাইয়ের কর্নার থেকে ভেসে আসা বল হিরোশির মাথা ছুঁয়ে পড়লে হেডে তা ক্লিয়ার করেন পাঞ্জাবের এক ডিফেন্ডার। আলগা বল গিয়ে পড়ে বক্সের বাইরে ফাঁকায় দাঁড়ানো রশিদের পায়ে গিয়ে পড়ে। জটলার মধ্যে কোনাকুনি শটে গোল করেন মহম্মদ রশিদ। গোল পেয়ে চাপ বাড়িয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। ৩২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরায় পাঞ্জাব এফসি। পরমবীরের সেন্টার বক্সের মধ্যে হাতে লাগান বিপিন রাই। রেফারি অশ্বিন পেনাল্টির নির্দেশ দেন। ড্যানিয়েল রামিরেজ পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান।


প্রথমার্ধের শেষমুহূর্তে নাটক। রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে বারবার অসন্তোষ প্রকাশ করছিলেন ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুজো। রেফারি অশ্বিন মাঠের ধারে এসে তাঁকে একবার সতর্ক করেও যান। তাতেও শান্ত হননি অস্কার। প্রথমার্ধের শেষদিকে সংযুক্তি সময়ে ইস্টবেঙ্গল ফ্রিকিক পেয়েছিল পাঞ্জাব বক্সের বাইরে। মিগুয়েলের নেওয়া ফ্রিকিক পাঞ্জাব ফুটবলারদের গায়ে লেগে বেরিয়ে গেলে কর্নার পায় ইস্টবেঙ্গল। অস্কার তখনও অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। এরপর রেফারি অশ্বিন এসে তাঁকে হলুদ কার্ড দেখান। ইনজুরি সময়ের শেষ মুহূর্তে মিগুয়েলের কর্নারে কেভিন সিবিলের দুরন্ত হেডে আবার এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। অস্কার  এগিয়ে যেতেই কোচ অস্কার চতুর্থ রেফারির সামনে গিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তাঁর এই আচরণের জন্য লাল কার্ড দেখান রেফারি। ম্যাচের বাকি সময় গ্যালারিতে কাটাতে হয় অস্কারকে। 

দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ঝাঁজ বাড়ায় ইস্টবেঙ্গল। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে। মাঝমাঠকে দারুণ নেতৃত্ব দেন মিগুয়েল। গোটা ম্যাচে দুরন্ত ফুটবল খেলেন। ৭১ মিনিটে মিগুয়েলের পাস থেকে বক্সের ঠিক মাথা থেকে হাঁটু সমান উঁচু শটে গোল করে ৩-১ করেন সল ক্রেসপো। এই গোলের সঙ্গে সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের ফাইনালে ওঠা কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায়। 


আরও পড়ুনঃ

অন্যান্য খবর

Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.

Copyright © 2026 Inside Bangla News Portal . All Rights Reserved. Designed by Avquora