নিয়মরক্ষার ম্যাচেও অপ্রতিরোধ্য ইস্টবেঙ্গল। গোকুলামকে ৩–০ ব্যবধানে হারিয়ে লিগ শেষ করল লাল–হলুদ ব্রিগেড। একই সঙ্গে প্রথম পর্বে হারের মধুর প্রতিশোধও নিল।
ট্রফি হাতে ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের উচ্ছ্বাস।
স্পোর্টস টাইম ওয়েব ডেস্ক
শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২৫
Share on:
গত শুক্রবার কল্যানী স্টেডিয়ামে ওড়িশা এফসি–কে হারিয়ে আগেই মহিলাদের আই লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু সেদিন সরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়নি। এমনকি চ্যাম্পিয়নের ট্রফিও তুলে দেওয়া হয়নি। আজ নিজেদের মাঠে গোকুলাম এফসি–র বিরুদ্ধে নিয়মরক্ষার ম্যাচ ছিল। সেই নিয়মরক্ষার ম্যাচেও অপ্রতিরোধ্য ইস্টবেঙ্গল। গোকুলামকে ৩–০ ব্যবধানে হারিয়ে লিগ শেষ করল লাল–হলুদ ব্রিগেড। একই সঙ্গে প্রথম পর্বে হারের মধুর প্রতিশোধও নিল।
এদিন নিজেদের মাঠে আই লিগ জয়ের সেলিব্রেশনে মেতে ওঠার জন্য প্রচুর দর্শক সমাগম হয়েছিল। সমর্থকদের আবেগটা ছিল অন্য রকম। অনেক মহিলা সমর্থক লাল–হলুদে সেজে মাঠে এসেছিলেন। ফুটবলারদের মধ্যেও যেন আবেগের বহিঃপ্রকাশ। ঘরের মাঠে প্রিয় সমর্থকদের সামনে জ্বলে উঠলেন ফুটবলাররা। ম্যাচের শুরু থেকেই ঝড় তোলেন সোমিয়া গুগুলথ, সন্ধ্যা রঙ্গনাথন, অঞ্জু তামাংরা। ম্যাচের ২৭ মিনিটে ঘানার স্ট্রাইকার এলসাদাই আচেম্পংয়ের গোলে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। ১০ মিনিট পর তিনিই ব্যবধান বাড়ান। ৪২ মিনিটে দলের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন সোমিয়া গুগুলথ। ম্যাচের বাকি সময়ে আর কোনও গোল হয়নি।
১৪ ম্যাচে ৩৭ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হল ইস্টবেঙ্গল। জয়ে এসেছে ১২টি ম্যাচে। ১টি করে ম্যাচে ড্র ও হার। লিগে সবথেকে বেশি গোল করেছে ইস্টবেঙ্গল। মোট ৩৮টি গোল করেছে। হজম করেছে মাত্র ১০টি গোল। সর্বোচ্চ গোলদাতা ঘানার এলসাদাই আচেম্পং। ভারতীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গোল করেছেন সৌমিয়া গুগুলথ। আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়ে মহিলাদের এএফসি এশিয়ান কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে ইস্টবেঙ্গল। এদিন ইস্টবেঙ্গল মাঠে খেলা দেখতে হাজির ছিলেন পুরুষ দলের কোচ অস্কার ব্রুজো।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.