হ্যাটট্রিক হল না সাবালেঙ্কার, অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের নতুন রানি ম্যাডিসন কিস
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে মহিলাদের সিঙ্গলসে হ্যাটট্রিকের সুযোগ ছিল এরিনা সাবালেঙ্কার সামনে। কিন্ত ইতিহাস গড়তে পারলেন অ্যারিনা সাবালেঙ্কা। অস্ট্রেলিয়া ওপেন পেল নতুন রানি। এরিনা সাবালেঙ্কাকে ৬–৩, ২–৬, ৭–৫ গেমে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলেন ম্যাডিসন কিস।
ইতিহাস গড়তে পারলেন না সাবালেঙ্কা। জীবনের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জিতলেন ম্যাডিসন কিস।
স্পোর্টস টাইম ওয়েব ডেস্ক
শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২৫
Share on:
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে মহিলাদের সিঙ্গলসে হ্যাটট্রিকের সুযোগ ছিল এরিনা সাবালেঙ্কার সামনে। কিন্ত ইতিহাস গড়তে পারলেন অ্যারিনা সাবালেঙ্কা। অস্ট্রেলিয়া ওপেন পেল নতুন রানি। এরিনা সাবালেঙ্কাকে ৬–৩, ২–৬, ৭–৫ গেমে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলেন ম্যাডিসন কিস। এই মার্কিন মহিলা টেনিস তারকা ১৪ বছরের চেষ্টায় অবশেষে জিতলেন প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম।
ফেভারিটের তকমা নিয়েই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের মহিলাদের সিঙ্গলসের ফাইনাল খেলতে নেমেছিলেন বেলারুশের সাবালেঙ্কা। ২ ঘণ্টা ২ মিনিটের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত শীর্ষ বাছাই সাবালেঙ্কাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন কিস। ১৯তম বাছাই হিসেবে এবারের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে খেলতে নেমেছিলেন এই মার্কিন টেনিস তারকা। দ্বিতীয় বাছাই ইগা শিয়নতেককে হারিয়ে ফাইনালে ওঠেন। ফাইনালেও শীর্ষ বাছাইকে হারিয়ে অঘটন।
২৯ বছর বয়সী কিস প্রথম সেটটি জেতেন ৬–৩ গেমে। দ্বিতীয় গেমে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান সাবালেঙ্কা। ৬–২ ব্যবধানে জিতে সমতা ফেরান। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে হ্যাটট্রিকের স্বপ্নও জাগিয়ে তোলেন। কিন্তু রোমাঞ্চকর তৃতীয় সেট শেষে শেষ হাসিটা হাসলেন কিসই। দুর্দান্ত লড়াই করে তৃতীয় সেট ৭–৫ ব্যবধানে জিতে প্রথমবারের মতো গ্র্যান্ড স্লাম জিতে নেন।
২০০৯ সাল থেকে পেশাদার টেনিস খেলছেন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাডিসন কিস। এই প্রথমবার গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের স্বাদ পেলেন। ১৯৯৯ সালে মার্টিনা হিঙ্গিসের পর সপ্তম মহিলা খেলোয়াড় হিসেবে টানা তিনবার অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জয়ের হাতছানি ছিল সাবালেঙ্কার সামনে। কিন্তু সেটা পূরণ হল না। ২০২৩ সালের শুরু থেকে হার্ড কোর্টে ৩৪টি ম্যাচের মধ্যে ৩৩টিতেই জিতেছেন সাবালেঙ্কার। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনেই জিতেছেন ২০টি ম্যাচ। কিন্তু শনিবারের বারবেলায় ইতিহাস লেখা হল না বেলারুশের এই টেনিস তারকার।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.