মঙ্গলবার থেকে শুরু হল স্কুল সার্ভিস কমিশনের একাদশ–দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগের নথি যাচাই প্রক্রিয়া। বাংলা বিষয় দিয়ে নথি যাচাই প্রক্রিয়া শুরু হল। প্রথম দিনেই ৭০০–র বেশি তালিকাভুক্ত চাকরিপ্রার্থীর নথি যাচাই করা হয়। পাশাপাশি এদিনই রাস্তায় নামলেন যোগ্য চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষিকারা৷ তাদের দাবি, দ্বিতীয় তালিকায় যেন সকলের নাম আসে৷ পাশাপাশি শূন্যপদ বাড়ানোর দাবি তুলেছেন করিহারা যোগ্য শিক্ষক ও শিক্ষিকারা।
চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষক–শিক্ষিকারা মঙ্গলবার করুণাময়ী থেকে বিকাশ ভবন পর্যন্ত মিছিল করেন। তাঁদের দাবি, আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে। যাতে একজনও চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষকের চাকরি না যায়। এই দাবি নিয়েই তাঁরা করুণাময়ী থেকে মিছিল করে বিকাশ ভবন পর্যন্ত গিয়ে ডেপুটেশন জমা দেন৷ চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষক–শিক্ষিকাদের প্রতিনিধিরা যখন বিকাশ ভবনে ডেপুটেশন জমা দিতে যান, সেই সময় রাস্তায় বাকিরা বসে পড়েন।
আরও পড়ুনঃ ‘প্রশ্ন–ঘুষ’ কাণ্ডে লোকপালের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র
আরও পড়ুনঃ ইউনূস কেন অপরাধী নয়? হাসিনার মৃত্যুদণ্ড নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে শাস্তি চাইলেন তসলিমা নাসরিন
আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সঙ্গীতা সাহা বলেন, ‘আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে। যে সব চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষক–শিক্ষিকার নাম ইন্টারভিউয়ের প্রথম তালিকায় আসেনি, তাদের নাম যেন দ্বিতীয় তালিকায় আসে। পাশাপাশি দ্রুত নবম–দশমের ফল প্রকাশ করতে হবে।’ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দেওয়া ১০ নম্বর নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নতুন চাকরিপ্রার্থীরা। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সব জায়গাতেই অভিজ্ঞতার মূল্য দেওয়া হয়। আসলে ওরা কমিশনের দেওয়া গেজেট ভাল করে না পড়ে এইসব কথা বলছে।’
এদিকে, মঙ্গলবার ৭০০–র বেশি চাকরিপ্রার্থীকে নথি যাচাইয়ের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছিল। ১৫টি টেবিলে নথি যাচাই করা হয়। এক একটা টেবিলে ১০০ জন করে প্রার্থীর নথি যাচাই করা হচ্ছে। তবে নথি যাচাইয়ের পর তার কোনও ‘রিসিপ্ট কপি’ প্রার্থীদের দেওয়া হয়নি। চাকরিপ্রার্থীদের একটা খাতায় সই করিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বুধবার ইংরেজি বিষয়ের চাকরিপ্রার্থীদের নথি যাচাই হবে। প্রায় ১,২০০ প্রার্থীকে ডেকেছে কমিশন। কমিশন ইন্টারভিউয়ের জন্য যে তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে পুরনো চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে সুযোগ পেয়েছেন নতুনরাও। তালিকায় বেশ কিছু ‘অযোগ্য’ বা ‘দাগি’ প্রার্থীদের নাম রয়েছেবলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও কমিশনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, কোনও ‘দাগি’র নাম থাকলে তা নথি যাচাইয়ের সময় বাদ দেওয়া হবে।