পরপর দুটি ম্যাচ জিতে আগেই ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। রবিবার গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল এয়ারফোর্সের বিরুদ্ধে। দুর্বল দল পেয়ে গোলের বন্যা বইয়ে দিলেন লাল–হলুদ ফুটবলাররা।
গোলের পর উচ্ছ্বাস হামিদ আহদাদ ও বিপিন সিংয়ের।
স্পোর্টস টাইম ওয়েব ডেস্ক
শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২৫
Share on:
পরপর দুটি ম্যাচ জিতে আগেই ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। রবিবার গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল এয়ারফোর্সের বিরুদ্ধে। দুর্বল দল পেয়ে গোলের বন্যা বইয়ে দিলেন লাল–হলুদ ফুটবলাররা। দুরন্ত ফুটবল খেলে ৬–১ ব্যবধানে জয় ইস্টবেঙ্গলের।
ধারে–ভারে এয়ারফোর্সের তুলনায় অনেকটাই শক্তিশালী ইস্টবেঙ্গল। তার ওপর এদিন সল ক্রেসপো, দিমিত্রিয়স দিয়ামানতাকোস, মহম্মদ রশিদের মতো বিদেশিদের প্রথম একাদশে রাখেননি। তাঁদের অভাব বুঝতে দিলেন না বাকিরা। শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে ম্যাচের ৭ মিনিটে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। ফ্রিকিক থেকে ডানদিকে বল পেয়েছিলেন এডমুন্ড লালরিনডিকা। উঠে গিয়ে তিনি মাপা সেন্টার করেন। ৬ গজ বক্সের ভেতর থেকে দুরন্ত হেডে দলকে এগিয়ে দেন হামিদ আহদাদ। ১৩ মিনিটে তাঁর সামনে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল। মাঝমাঠ থেকে আসা থ্রু পাস ধরে এগিয়ে গিয়ে এয়ারফোর্সের আগুয়ান গোলকিপারের মাথার ওপর দিয়ে ছোট্ট টোকায় ফাঁকা গোলে বল ঠেলেছিলেন। বলের গতি কম থাকায় এয়ারফোর্সের সঙ্কিত ছুটে এসে গোল লাইন থেকে নিশ্চিত গোল বাঁচান।
২৬ মিনিটে হামিদ–বিপিনের যুগলবন্দীতে ব্যবধান বাড়ায় ইস্টবেঙ্গল। মাঝমাঠ থেকে থ্রু বল বাড়িয়েছিলেন হামিদ। সেই বল ধরে বক্সে ঢুকে এয়ারফোর্স গোলকিপারকে কাটিয়ে ডানপায়ের কোনাকুনি শটে গোল করেন বিপিন সিং। ৩৬ মিনিটে ব্যবধান কমায় এয়ারফোর্স। ডানদিক থেকে ফ্রিকিক করেছিলেন জিজো জেরন। হেডে গোল করেন আমন খান। প্রথমার্ধে ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই মাঠ ছাড়ে ইস্টবেঙ্গল।
দ্বিতীয়ার্ধে সুযোগ নষ্টের প্রদর্শনীতে মেতে ওঠেন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা। ৫৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়াতে পারতেন হামিদ আহদাদ। বিপিনের সেন্টার ফাঁকায় পেয়েও বাইরে হেড করেন। ৬৪ মিনিটে ৩–১ করেন আনোয়ার আলি। মিগুয়েলের কর্নার থেকে হেডে গোল করেন লাল–হলুদের এই ডিফেন্ডার। গোলের পরই দুটি পরিবর্তন করেন ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুজো। সল ক্রেসপো ও রশিদকে মাঠে নিয়ে আসেন। আক্রমণে আরও ঝাঁঝ বাড়ে। মাঠে আসার পরপর দ্বিতীয় টাচে গোল রশিদের। ৬৮ এয়ারফোর্সের ডিফেন্ডারদের ক্লিয়ার করা বল ধরে বক্সের বাইরে থেকে দুরন্ত শটে ৪–১ করেন রশিদ।
দ্বিতীয়ার্ধে এতটাই প্রাধান্য ছিল, ইস্টবেঙ্গল গোলকিপারকে একটাও কঠিন বল ধরতে হয়নি। তার মধ্যেই ৮৫ মিনিটে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে পঞ্চম গোলটি করেন সল ক্রেসপো। ডানদিক থেকে সেন্টার করেছিলেন এডমুন্ড। এয়ারফোর্স গোলকিপার আংশিক প্রতিহত করলে সেই বল সামনেই দাঁড়ানো ক্রেসপোর পায়ে। জালে জড়াতে ভুল করেননি তিনি। ইনজুরি সময়ে ষষ্ঠ গোল ডেভিডের। ডানদিক থেকে ভেসে আসা সেন্টার ঘুসি মেরে বার করতে যান এয়ারফোর্স গোলকিপার। বল গিয়ে পড়ে পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামা ডেভিডের মাথায়। গোল করতে ভুল করেননি ডেভিড।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.