চলতি বছরে বিশ্ব দাবা মঞ্চে ভারতের ভারতের সাফল্যের তালিকা বেশ লম্বা। দাবা অলিম্পিয়াডের পর ক্যান্ডিডেটস দাবায় সাফল্য। এরপর দাবা বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে। চীনের ডিং লিরেনকে হারিয়ে বিশ্বসেরার মুকুট ছিনিয়ে নিয়েছেন ডি গুকেশ। গুকেশের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ১৫ দিন কাটতে না কাটতেই আবার সাফল্য। মহিলাদের র্যাপিড দাবায় বিশ্বসেরা ভারতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার কোনেরু হাম্পি। রবিবার ইন্দোনেশিয়ার ইরেনা সুকেন্দরকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন তিনি। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার র্যাপিড দাবায় বিশ্বসেরা হলেন হাম্পি।
৩৭ বছর বয়সী হাম্পির খেতাব জয় অবশ্য সহজ ছিল না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় শেষ রাউন্ডে ইরেনা সুকেন্দরের বিরুদ্ধে জিততেই হত হাম্পিকে। কারণ, ১১ রাউন্ডের এই প্রতিযোগিতায় ১০ রাউন্ড শেষে হাম্পিসহ ৭ জন গ্র্যান্ডমাস্টারের পয়েন্ট ছিল ৭.৫। বাকি ৬ জন ড্র করায় সুবিধা হয়ে যায় হাম্পির। শেষ রাউন্ডে ইন্দোনেশিয়ার ইরেনা সুকেন্দরকে হারিয়ে ৮.৫ পয়েন্টে পৌঁছে যান এই ভারতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার। ২০১৯ সালে বিশ্ব র্যাপিড দাবায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন হাম্পি। বিশ্বের দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার হিসেবে দু’বার এই খেতাব জিতলেন। চীনের গ্র্যান্ডমাস্টার জি ওয়েনজুনের এই কৃতিত্ব রয়েছে।
কিছুদিন আগেই দাবা থেকে অবসর নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন কোনেরু হাম্পি। আসলে তাংর মনে হয়েছিল এই বয়সে আর ভাল কিছু করা সম্ভব নয়। কিন্তু ৩৭ বছর বয়সেও চমক দেখালেন হাম্পি। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর তিনি বলেন, ‘এই বছর খুব একটা ভাল খেলছিলাম না। আমার বয়স এখন ৩৭ বছর। এই বয়সে খেতাব জেতা সহজ নয়। অবসর নেওয়ার কথাও ভাবতে শুরু করেছিলাম। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে এই খেতাব জয় আমার কাছে অপ্রত্যাশিত।’ তিনি আরও বলেন, ‘দাবায় এখন ভারতের সেরা সময় চলছে। কিছুদিন আগেই পুরুষদের দাবায় গুকেশ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আমি দ্বিতীয়বার র্যাপিডে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলাম। আমার এই সাফল্য আশা করছি অন্যদের অনুপ্রাণিত করবে।’
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.