রোহিত শর্মা যেদিন নিজের ছন্দে থাকেন, অন্য কারও প্রয়োজন হয় না। আইপিএলের এলিমিনেটর ম্যাচে প্রমাণ করে দিলেন ‘হিটম্যান’। তাঁর বিধ্বংসী ইনিংস ও জনি বেয়ারস্টোর দাপটে গুজরাট টাইটান্সকে ২০ রানে হারিয়ে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে পৌঁছে গেল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। রবিবার সামনে পাঞ্জাব কিংস।
এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর এই সিদ্ধান্ত বুমেরাং হতে পারত, যদি গুজরাট ফিল্ডাররা একটু তৎপর হতেন। অজস্র ক্যাচ মিচ করেন শুভমান গিলরা। দ্বিতীয় ওভারেই প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে ব্যক্তিগত ৩ রানের মাথায় রোহিতের ক্যাচ ফেলের জেরাল্ড কোয়েৎজি। এরপর ১২ রানের মাথায় রোহিতকে আরও একবার জীবন দেন উইকেটকিপার কুশল মেন্ডিস।
দু’দুবার জীবন পেয়ে জ্বলে ওঠেন রোহিত। অন্যপ্রান্তে জনি বেয়ারস্টো ছিলেন আরও আক্রমণাত্মক। ২২ বলে ৪৭ রান করে তিনি যখন আউট হন ৭.২ ওভারে মুম্বই পৌঁছে গেছে ৮৪ রানে। এরপর ২২ বলে ৩৩ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন সূর্যকুমার যাদব। তিনিও একবার কুশল মেন্ডিসের হতে জীবন পান। ইনিংসের ১৭ তম ওভারে সেই প্রসিদ্ধর বলেই আউট হন রোহিত। ৫০ বলে তিনি করেন ৮১। মারেন ৪টি চার ও ৪টি ছক্কা। ১১ বল এ২৫ রান করেন তিলক ভার্মা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২২৮ রান করে মুম্বই। ৯ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন হার্ডিক। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ও সাই কিশোর ২টি করে উইকেট নেন।
২২৯ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করে জিততে গেলে শুরুটা ভাল হওয়া জরুরি ছিল গুজরাটের। প্রথম ওভারেই শুভমান গিলকে (১) তুলে নিয়ে গুজরাটকে চাপে ফেলে দেন ট্রেন্ট বোল্ট। দলীয় ৬৭ রানের মাথায় আউট হন কুশল মেন্ডিস (১০ বলে ২০)। এরপর সাই সুদর্শন ও ওয়াশিংটন সুন্দর জুটি দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। দুরন্ত ইয়র্কারে ওয়াশিংটনের (২৪ বলে ৪৮) স্টাম্প ছিটকে দেন যশপ্রীত বুমরা।
ওয়াশিংটন ফিরে যার পরও লড়াই চালাচ্ছিলেন সাই সুদর্শন। রিচার্ড গ্লিনসের বলে স্কুপ মারপতে গিয়ে বোল্ড হন। ৪৯ বলে ৮০ রান করেন সুদর্শন। তিনি আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গুজরাটের জয়ের আশাও শেষ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ২০৮ রান তোলে গুজরাট। ১১ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন রাহুল তেওয়াটিয়া। ৫৬ রানে ২ উইকেট নেন ট্রেন্ট বোল্ট।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.